বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
মহম্মদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদ্বোধন সংসদে মুলতবি অধিবেশনে উপস্থিত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী কেন শিশুকে বইমেলায় নিয়ে যাবেন? ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন আজ, শুরুতে পাবে সাড়ে ৩৭ হাজার পরিবার ১৮০ দিনে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী ঈদযাত্রা চাঁদাবাজিমুক্ত ও নিরাপদ করার ঘোষণা পরিবহন মালিক সমিতির যাকাত ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে সম্ভাবনা খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যার দুই আসামিকে ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতা সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী

খাবার গ্রহণে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

Reporter Name / ১৮ Time View
Update Time : বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

বড় প্লেটে একসঙ্গে খাওয়া সুন্নত। আরব দেশে এখনো বড় প্লেটে খাবার গ্রহণের সংস্কৃতি আছে। যদিও আলাদাও খাওয়া যায় এবং যার যার রুচি অনুযায়ী খাবার গ্রহণে কোনো অসুবিধা নেই। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহর কাছে প্রিয় খাদ্য হলো যাতে অনেক হাত অংশগ্রহণ করে। অর্থাৎ যে খাদ্য অনেকে একসঙ্গে খায়। (সহিহুল জামে, হাদিস : ১৭১; সিলসিলাহ সহিহাহ, হাদিস : ৮৯৫)
একসঙ্গে খেলে খাবারে বরকত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমরা একত্রে খাবার গ্রহণ করো। পৃথক হয়ে খাবার গ্রহণ কোরো না। কারণ একজনের খাবার দুজনের জন্য যথেষ্ট হবে আর দুজনের খাবার চারজনের জন্য যথেষ্ট হবে। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৩২৫৪)
তবে একসঙ্গে খেতে বসে ভারসাম্যপূর্ণ খাবার গ্রহণ করা উচিত। এবং এমনভাবে খাবার গ্রহণ করা উচিত, যাতে অন্যের অরুচি না হয়। নবী (সা.) (একসঙ্গে খেতে বসে) সঙ্গীদের অনুমতি ছাড়া কাউকে একসঙ্গে দুটি করে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ২৩৫৭)
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর একটি বড় খাবারের প্লেট ছিল। সেই প্লেট নিয়ে ঘটে গেল এক শিক্ষণীয় ঘটনা। আবদুল্লাহ বিন বুসর (রা.) বলেন, একবার নবী করিম (সা.)-এর জন্য একটি ছাগল হাদিয়া পাঠানো হলো। সেদিন খাদ্য অল্প ছিল। ফলে তিনি তাঁর পরিবারকে বলেন, এই ছাগলটি রান্না করো। আর এই যে আটা এ দিয়ে রুটি তৈরি করো এবং তার ওপর সারিদ ছড়িয়ে দাও। নবী করিম (সা.)-এর একটি (বড়) গামলা ছিল যাকে ‘গাররা’ বলা হতো। চারজন লোক সেটাকে বহন করত। যখন সকাল হলো এবং তারা সালাতুজ জুহা আদায় করল, তখন ওই গামলাটি আনা হলো, লোকেরা তার চার পাশে জমা হলো। যখন লোকসংখ্যা বেশি হলো, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) হাঁটু গেড়ে বসলেন। এতে এক বেদুইন বলল, এ কোন ধরনের বসা? নবী করিম (সা.) বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাকে উদার ও বিনয়ী বান্দা হিসেবে পাঠিয়েছেন, অবাধ্য ও স্বেচ্ছাচারী হিসেবে পাঠাননি। অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমরা এই খাদ্যের পাশর্^ থেকে খাও, মধ্যভাগ থেকে খেয়ো না। কেননা মধ্যভাগে তোমাদের জন্য বরকত দান করা হয়। তারপর বলেন, তোমরা নাও এবং খাও। সেই সত্তার কসম, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! অবশ্যই তোমাদের পারস্য ও রোম সাম্রাজ্যের ওপর বিজয় দান করা হবে, তখন খাদ্যের পরিমাণ বেড়ে যাবে, কিন্তু সে খাদ্যের ওপরে (খাওয়ার সময়) আল্লাহর নাম স্মরণ করা হবে না। (অর্থাৎ বিসমিল্লাহ বলা হবে না) (শুআবুল ঈমান, হাদিস : ৫৪৬১; আবু দাউদ, হাদিস : ৩৭৭৩)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *